Saturday, May 21, 2016

দিনে ১০০ টাকা ভাড়ায় মিলছে স্বামী

দিনে ১০০ টাকা ভাড়ায় মিলছে স্বামী

রাজধানীতে ভাড়ায় মিলছে স্বামী! এ বাণিজ্যে তিন ধরনের কাজের জন্য স্বামী পরিচয়ে পুরুষ ভাড়া করা হয় বলে জানা গেছে। স্বামী হিসেবে ভাড়ায় খেটে নিজের সংসার চালাচ্ছেন এমন চাঞ্চল্যকর তথ্যও পাওয়া গেছে। দিনে ১০০ টাকা থেকে মাসে পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকায় ভাড়ায় স্বামী পাওয়া যায়। আবার একই পুরুষ ভাড়ায় খাটেন একাধিক নারীর স্বামী পরিচয়ে এমন তথ্যও পাওয়া গেছে। রাজধানীর জুরাইনএলাকার ফুটপাতের খুদে দোকানি আলো বেগমের স্বামী নেই। আরেক বিয়ে করে স্বামী চলে গেছে। কোথায় গেছে সেটাও তার জানা নেই। তিনটি সন্তান নিয়ে ফুটপাতে কখনও পিঠা, কখনও মৌসুমি ফল, সঙ্গে চা-পান বিক্রি করে জীবন চালান তিনি। ছেলেকে চা-পানের দোকান আলাদা করে দিতে পাঁচ হাজার টাকার ঋণ দরকার তার। একটি এনজিও থেকে ঋণ পেতে স্বামী দরকার। এনজিওর লোকজন বলছে ঋণ পেতে হলে স্বামী-স্ত্রী দুজনের ছবি লাগবে। মাস কয়েক আগে এনজিওর ঋণ পেতে একজন স্বামী ভাড়া করেছিলেন তিনি। ঋণের টাকা থেকে ৫০০ টাকা দিয়েছেন তাকে। মাত্র ৫০০ টাকাতেই আলো বেগমের সঙ্গে স্বামী পরিচয়ে এনজিও অফিসে গিয়ে ছবি তুলে ঋণ পেতে সহায়তা করেছেন বিশু নামের এক লোক।
ঢাকার বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে যৌনকর্মীদের আনাগোনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ওইসব যৌনকর্মী এখন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার ফ্ল্যাট বাড়ি ভাড়া নিয়ে দেহ ব্যবসা শুরু করেছে। বাড়ি ভাড়া নিতে গেলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্বামী ছাড়া বাড়ির মালিক বাসা ভাড়া দিতে চান না। বাড়ি ভাড়া নেওয়ার ওই প্রতিবন্ধকতার কথা চিন্তা করে যৌনকর্মীরা তাদের পূর্বপরিচিত কোনো পুরুষকে স্বামী হিসেবে ভাড়া করেন। বাড়ি ভাড়া করার সময় সঙ্গে থাকেন ভাড়াটে স্বামী। দেখা গেছে, বাড়ি ভাড়া নেওয়ার সময় বাড়ির মালিককে বলা হয় স্বামী নিয়মিত ঢাকায় থাকে না, বাইরের কোনো জেলায় চাকরি বা ব্যবসা করে। একই সঙ্গে বলা হয়, বাসায় নিয়মিত থাকবে তার স্ত্রী ও দুই বা তিন বোন। ওই বোনদের থাকার কথা বলে জায়েজ করে নেওয়া হয় আরো দুই-তিনজন যৌনকর্মীকে। এভাবেই রাজধানীজুড়ে ফ্ল্যাট বাড়িগুলোতে চলছে যৌনবাণিজ্য।
শনির আখড়ার সোহান (ছদ্মনাম) বরিশাল থেকে অভাবের তাড়নায় ঢাকায় আসেন। এসএসসিও পাস নয়, তাই কোনো চাকরি দিতে চাচ্ছেন না কেউ। এরই মধ্যে দেখা মিলে ছিনতাইকারী কাজলের সঙ্গে। নিরূপায় হয়ে তার সঙ্গে যোগ দেয় সংসদ ভবন এলাকায় ছিনতাইয়ের কাজে। পরিবর্তন করে ফেলে নিজের বংশ-পরিচয়ও। এরই মধ্যে পরিচয় হয় স্বামী পরিত্যক্তা রুপার (ছদ্মনাম) সঙ্গে। তখন তিনি একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরির পাশাপাশি যৌন ব্যবসায় লিপ্ত ছিলেন। সিদ্ধান্ত হয় স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে দুজন রাজধানীর শনির আখড়ায় বসবাস করবেন। এরপরই বিউটি পার্লার ব্যবসার আড়ালে রুপা শুরু করে জোরালো যৌনব্যবসা। বিধিবাম, এলাকার দুষ্ট বেরসিক ছেলেরা জেনে যায় সোহান-রুপা আসলে স্বামী-স্ত্রী নন। দুজনের এ অবাধ বসবাসে বাধ সাদে তারা। দুজনকেই বাধ্য করে সত্যিকারের বিয়েতে। এছাড়াও সোহান রাজধানীর শান্তিনগর, বাড্ডা, ফার্মগেট এলাকাসহ ৮-৯টি স্থানে যৌনকর্মীদের স্বামী পরিচয়ে বাসা ভাড়া নিয়ে নিজে কামাচ্ছেন মোটা অঙ্কের টাকা। আর মাঝে মধ্যে খদ্দের জোগাড় করে দিলে তার কমিশনতো আছেই।
রাজধানীতে তিন ধরনের কাজের জন্য মহিলাদের স্বামী পরিচয়ে পুরুষ ভাড়া করার ক্ষেত্র চিহ্নিত করা গেছে। বিশেষ করে যৌনব্যবসার সঙ্গে জড়িত নারীরা বাসা ভাড়া নেওয়ার সময় স্বামী হিসেবে লোক ভাড়া করে বাড়ির মালিককে দেখিয়ে থাকেন। এনজিওসহ বেশকিছু মাল্টিপারপাস কোম্পানি থেকে ক্ষুদ্রঋণ নেওয়ার শর্ত হিসেবে স্বামীর পরিচয় ও তার ছবি ব্যবহার করতে স্বামী ভাড়া করেন। এছাড়া, সাম্প্রতিককালে পাসপোর্ট অফিসে কোনো মহিলা স্বামী ছাড়া একা গেলে তাকে স্বামীর উপস্থিতি দেখানোর প্রয়োজনে স্বামী ভাড়া করে আবার স্বামী নিয়ে আসার ঝামেলা থেকে মুক্ত হতে হয়।অনুসন্ধানে একই ব্যক্তির তিন-চারটে ফ্ল্যাট বাড়িতে স্বামীর পরিচয়ে ভাড়া খাটার বিষয়টি জানা গেছে। এমনি একজন সালাউদ্দিন। যে কিনা ছয় নারীর স্বামী হিসেবে ভাড়া খাটেন। ভাড়া খাটার শর্ত হচ্ছে সপ্তাহে কমপক্ষে একদিন স্বামী পরিচয়ে বাসায় অবস্থান করতে হবে, আর বাসার বাজারও করে দিতে হবে। বাসায় অবস্থান করা ও বাজার করার শর্ত দেওয়ার মানে হচ্ছে যাতে আশপাশের লোকজন কোনো প্রকার সন্দেহ না করেন।
জামালপুরের মধ্যবয়সী পুরুষ সালাউদ্দিন। এক যুগ আগে ঢাকায় এসে মিরপুর এলাকায় পান-সিগারেটের ব্যবসা শুরু করেন। ধীরে ধীরে জড়িয়ে যান এক সন্ত্রাসী চক্রের সঙ্গে। ধরা পড়ে জেলও খাটেন দেড় বছর। জেল থেকে বেরুনোর পর পরিচয় হয় এক মহিলার সঙ্গে। সেই থেকে ভাড়ায় স্বামীবাণিজ্য শুরু সালাউদ্দিনের। এখন রাজধানীর মিরপুর, বাড্ডা ও গাবতলী এলাকায় ছয়টি বাসায় ছয় নারীর ভাড়াটে স্বামী তিনি। ভাড়া পান ৩০ হাজার টাকা। কোনো মাসে বেশি মেলে আবার কোনো মাসে কিছুটা কমও মেলে বলে জানান সালাউদ্দিন। নিজের স্ত্রী ও এক ছেলে নিয়ে ভাড়ায় থাকেন মিরপুরের কালসী এলাকায়। ভাড়ায় স্বামী খাটাই এখন তার একমাত্র পেশা বলে জানান।
জানা গেছে, রাজধানীতে বিভিন্ন ক্ষুদে ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বেশিরভাগ বস্তিবাসী বা ভাসমান নারীরা উদয়-অস্ত পরিশ্রম করে সন্তানদের নিয়ে জীবন ধারণ করছেন। তাদের বেশির ভাগই স্বামী পরিত্যক্তা। ব্যবসা পরিচালনা বা সম্প্রসারণের কারণে কখনও কখনও এদের ক্ষুদ্রঋণের প্রয়োজন হয়। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এনজিওগুলো বা নগরীতে সুদের ব্যবসা করে এমন সংস্থাগুলো ক্ষুদ্রঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রী দুজনের ছবি ও নাম ব্যবহার করে এবং দুজনকেই ঋণের দায়ে আবদ্ধ রাখেন। এনজিওগুলোর এ নিয়মের কারণে স্বামী পরিত্যক্তাদের ক্ষুদ্রঋণ পাওয়ার সুযোগ থাকে না। সে ক্ষেত্রে বাধ্য হয়ে পরিচিত এবং ভালো সম্পর্ক আছে এমন কাউকে স্বামী হিসেবে ভাড়া করে সংস্থাগুলো থেকে ব্যবসার ঋণ পান মহিলারা। বিনিময়ে ভাড়াটে স্বামীকে ধরিয়ে দিতে হয় নগদ কিছু। আবার জানা গেছে, অনেকে কেবল ভালো সম্পর্কের কারণে বিনা টাকায় মহিলাদের ঋণ পেতে সহায়তা করেন।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সাম্প্রতিককালে আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্টের জন্য ছবি তুলতে অফিসে যেতে হয়। অজ্ঞতাপ্রসূত কোনো নারী একা পাসপোর্টের ছবি তুলতে গেলে তাকে স্বামী সঙ্গে রাখার কথা বলা হয়। সেই ক্ষেত্রে মহিলা পাসপোর্ট প্রত্যাশীকে সময় ব্যয় করে আরেক দিন আসতে হয় অথবা অন্য একদিন যেতে হয়। মহিলারা ফিরে যাওয়ার সময় এখানকার কিছু দালাল সুকৌশলে মহিলাদের প্রস্তাব দেন, ‘টাকা-পয়সা খরচ করে আবার আসবেন। তারচেয়ে মাত্র ১০০ টাকা খরচ করেন। আমি একজন লোক দিচ্ছি, উনি আপনার সঙ্গে যাবেন এবং মাত্র কয়েক মিনিটের জন্য উনাকে স্বামী পরিচয় দেবেন। ছবিটা তোলা হলে চলে যাবেন।’

প্রশ্ন : মাসিকের কত দিন আগে বা পরে কনডম ছাড়া সেক্স করা যায়?

প্রশ্ন : মাসিকের কত দিন আগে বা পরে কনডম ছাড়া সেক্স করা যায়?

অতিরিক্ত জনসংখ্যা যে পৃথিবীর সবথেকে বড় সমস্যা সেটা বোঝার এখন সময় এসেছে। একটু ভুল বললাম, তাই না? সময় ৫০ বছর আগেই এসে চলে গেছে! জনসংখ্যা যে হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে আগামী ২০৫০ নাগাদ খাদ্য, জল, বাসস্থানের সমস্যা অবস্যম্ভাবি। এই জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমানোর জন্য প্রয়োজন উপযুক্ত গর্ভনিরোধ পদ্ধতি। আধুনিক বিজ্ঞানের দৌলতে জন্ম নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয়েছে, তার মধ্যে থেকে নিজের পছন্দমত বেছে নিয়ে নিশ্চিন্তে যৌনসুখ অনুভব করুন ও ধরিত্রীর বোঝা কমাতে একটু সহযোগিতা করুন। এই পোস্টে জন্ম নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন পন্থা সম্মন্ধে আলোচনা করা হল।
১) কন্ডোম – জন্ম নিয়ন্ত্রণ করার সবথেকে সহজ, নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য উপায় হল কন্ডোম বা নিরোধ ব্যবহার। কন্ডোম পুরুষ ও মহিলা উভয়ের জন্যেই পাওয়া যায়। তবে পুরুষ কন্ডোম ব্যবহার অপেক্ষাকৃত সহজ। সঠিক উপায় কন্ডোম ব্যবহার করলে পুরুষ কন্ডোমের সফলতার হার প্রায় ৯৮%। পুরুষ কন্ডোম উত্তেজিত লিঙ্গে পড়ানো হয় এবং মহিলা কন্ডোম সঙ্গমের পূর্বে যোনির মধ্যে প্রবেশ করানো হয়। কন্ডোম ব্যবহার করলে বীর্য ওর মধ্যে আটকে যায় এবং সরাসরি যোনির সংস্পর্শে আসেনা। ফলে গর্ভসঞ্চার হয় না। কন্ডোম সাধারণত ল্যাটেক্স, পলিইউরেথিন বা নাইট্রাইল নামের পদার্থ দিয়ে তৈরি। পুরুষ কন্ডোমের বাইরের গায়ে লুব্রিকেশন লাগানো থাকে। প্রয়োজন হলে আলাদাভাবেও অতিরিক্ত লুব্রিকেন্ট কন্ডোমে লাগানো যায়। তবে উল্লেখ্য যে ল্যাটেক্স কন্ডোম ব্যবহারের সময় তেল বা তেল দিয়ে তৈরি লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করা উচিৎ নয়, কারণ ল্যাটেক্স তেলে দ্রবিভূত হয়ে সঙ্গমের সময় কন্ডোম ছিড়ে যেতে পারে। তার বদলে জল দিয়ে তৈরি বিশেষ লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করা উচিৎ।কন্ডোম সম্পর্কে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কথা হল যে একসাথে একটির বেশি কন্ডোম ব্যবহার করা উচিৎ নয়। তাতে কন্ডোম ছিড়ে যাবার বা খুলে যাবার সম্ভাবনা অনেক বৃদ্ধি পায়। একথা এজন্যে বললাম কারণ দেখা গেছে অনেক ব্যক্তি বেশি সুরক্ষা পাবার উদ্দেশ্যে একসাথে দুটি কন্ডোম পড়ে নেয়। উল্লেখযোগ্য যে অন্যান্য সমস্ত জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির তুলনায় কন্ডোমের একটি বিশেষ সুবিধে হল যে জন্ম নিয়ন্ত্রণ ছাড়াও কন্ডোম ব্যবাহার করলে যৌনরোগের হাত থেকেও বাঁচা যায়।
২) পিরিওডের নিরাপদ সময় – পিরিওডের রক্তক্ষরণ শুরু হওয়ার দিন থেকে প্রথম সাত দিন ও শেষ সাত দিন যৌনসঙ্গম করলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা কম থাকে। তাই ওই সময়কে যৌনসঙ্গমের নিরাপদ সময় হিসেবে ধরা হয়। তবে এই শর্ত কেবল সেইসকল নারীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য যাদের পিরিওড নিয়মিত ২৮ দিন (বা নিয়মিত ২৬ থেকে ৩১ দিন) অন্তর অন্তর হয়। এদের ক্ষেত্রে রজস্রাব শুরু হওয়ার দিনকে প্রথম দিন ধরে গুণতে থাকলে মোটামুটি ১২ থেকে ১৯ তম দিনে ডিম্বাণু নির্গমণ হয়। ডিম্বাণু ওভিউলেশনের পর প্রায় ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টা জীবিত থাকে এবং স্ত্রী জননতন্ত্রে বীর্যস্খলনের পর শুক্রাণু ৩ থেকে ৫ দিন পর্যন্ত জীবিত থাকতে পারে। তাই পিরিওডের সপ্তম থেকে ২১ তম দিন পর্যন্ত সঙ্গম করলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা বেশি। পিরিওডের বাকি দিনগুলো, প্রথম থেকে সপ্তম ও ২১ তম দিন থেকে পুনরায় রজস্রাব শুরু হওয়ার দিন পর্যন্ত যৌনসঙ্গমের নিরাপদ সময় হিসেবে গন্য করা হয়। মনে রাখবেন যে রক্তক্ষরণ শুরু হবার দিনকে প্রথম দিন ধরেই কিন্তু উপরোক্ত হিসেব দেওয়া হয়েছে। এসম্মন্ধে বিশদে জানতে পিরিওড সংক্রান্ত এই পোস্ট দেখুন। তবে উল্লেখযোগ্য যে পিরিওডের কোন দিনই প্রকৃত নিরাপদ দিন নয়। উপরিউল্লিখিত নিরাপদ সময়ে সেক্স করলেও গর্ভধারণের স্বল্প হলেও কিছুটা সম্ভাবনা থেকেই যায়। কাজেই অপর কোন জন্ম নিয়ন্ত্রণের উপায়, যেমন কন্ডোম বা পিল ব্যবহার করাই শ্রেয়। কারণ যাদের পিরিওড অনিয়মিত বা ২৮ দিনের থেকে অনেক কম তাদের ক্ষেত্রে কিন্তু উপরোক্ত হিসেব প্রযোজ্য নয়। উপরন্তু যৌনরোগের সম্ভাবনা সব সময়েই থাকে। তাই ক্যাসুয়াল সেক্স বা বিবাহবহিঃর্ভুত সেক্স করার সময় জন্ম নিয়ন্ত্রণ করার এই পদ্ধতির উপর কখওনই নির্ভর করা উচিৎ নয়। এই পদ্ধতি শুধুমাত্র সেইসকল দম্পতিদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য যারা হয়তো এখওনই বাচ্চা-কাচ্চা চান না, কিন্তু নেহাৎ হয়ে গেলেও কোন অসুবিধা নেই
৩) গর্ভনিরোধোক বড়ি – মহিলাদের ব্যবহারযোগ্য জন্ম নিয়ন্ত্রণ করার একটি উপায় হল গর্ভনিরোধোক বড়ি। এগুলো মূলত ইস্ট্রোজেন-প্রজেস্টেরন হরমোনের বড়ি। ওইসব বড়ি খেলে ওভিউলেশন বা ডিম্বাণু নির্গমন হয় না। ফলে গর্ভসঞ্চারের সম্ভাবনাও থাকে না। দুধরনের বড়ি পাওয়া যায় – একটিতে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন দুটোই থাকে এবং অপরটিতে শুধু প্রোজেস্টেরন থাকে। দুটোই গর্ভসঞ্চার রোধে সমান কার্যকরী, কিন্তু প্রথম বড়িটি কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। যেমন স্তন্যদায়ী মহিলা এবং এমন মহিলা যাদের রক্তবাহে রক্ত তঞ্চনের সম্ভাবনা বেশি, ইত্যাদি। উভয় বড়িই পিরিওডের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ এবং ব্যাথা বা কমায়। গর্ভনিরোধোক বড়ি নিয়মিত খেতে হয়। যেসকল বড়িতে কেবল প্রোজেস্টেরন থাকে তাদের প্রত্যহ একটি নির্দিষ্ট সময়ে খেতে হয়। তবে গর্ভনিরিধোক বড়ি খেতে শুরু করার পর প্রথম সপ্তাহে তার সাথে অন্য কোন কার্যকরী গর্ভনিরোধ (জন্ম নিয়ন্ত্রণের) পদ্ধতি ব্যবহার করা উচিৎ। কারণ ওই সকল বড়ির প্রভাব কার্যকরী হতে কিছুটা সময় লেগে যায়। উল্লেখ্য যে গর্ভনিরোধোক বড়ি খাওয়া শুরু করার পূর্বে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিৎ।
আরও কিছু গর্ভনিরোধোক পদ্ধতি সম্মন্ধে আলোচনা এর পরের পোস্টে আসছে। যদি এই ওয়েবসাইট ও এখানে প্রকাশিত তথ্য তোমার ভাল লাগে তবে নতুন পোস্ট সম্মন্ধে তাৎক্ষণিক খবর পেতে ফেসবুকে লাইক কর এবং ডানপাশের সাইডবারে দেওয়া সাবস্ক্রাইব লিঙ্কে নিজের মেইল আই.ডি. লিখে সাবমিট কর।

যে ৫ বিষয় নারীর যৌন চাহিদা নিয়ন্ত্রণ করে!

যে ৫ বিষয় নারীর যৌন চাহিদা নিয়ন্ত্রণ করে!

কারো যৌন চাহিদা বেশি থাকে, কারো বা কম। এ ক্ষেত্রে কোন কোন বিষয় এ যৌন চাহিদা নিয়ন্ত্রণ করে তা জানেন কি?
এ লেখায় রয়েছে তেমন পাঁচটি বিষয়। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।
১. দৈনন্দিন অভ্যাস
দৈনন্দিন অভ্যাসগুলো মানুষের বহু বিষয়ে প্রভাব বিস্তার করে। কোন বিষয়ে আনন্দ হয় এবং কোন বিষয়ে অন্যকোনো অনুভূতি হয় এসব বিষয়ে অভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আর এ ধারার বাইরে নয় যৌনতাও। গবেষকরা জানাচ্ছেন ইয়োগার মতো অনুশীলন ২০ ভাগ পর্যন্ত যৌনতা বাড়াতে পারে। এ ছাড়া রয়েছে খাবারের অভ্যাস। আপনার খাবারের ওপর আপনার দৈনন্দিন কার্যক্রম অনেকাংশে নির্ভর করে। বিশেষ করে শিল্পকারখানায় প্রক্রিয়াজাত খাবার আপনার দৈনন্দিন যৌনতার আকাঙ্ক্ষা কমিয়ে দিতে পারে। অন্যদিকে সুস্থ খাবার এ প্রবণতা বাড়িয়ে দেয়।
২. আচরণ
আপনার দেহ ও মনের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার ওপর যৌনতা অনেকাংশে নির্ভর করে। ভয়, নিরাপত্তাহীনতা, অপরাধবোধ কিংবা অনুরূপ অনুভূতি যৌনতার আকাঙ্ক্ষা কমিয়ে দিতে পারে।
৩. সম্পর্ক
নারীর যৌনতার আকাঙ্ক্ষা নির্ভর করে এমন একটি বড় বিষয় হলো সম্পর্ক। এটি আবেগগত বিষয় এবং এর ওপর যৌনতার ইচ্ছা-অনিচ্ছা অনেকাংশে নির্ভরশীল। ভবিষ্যতের চিন্তায় যৌনসঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ককে নারী অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। আর এর প্রতিফলনই ঘটে যৌন আকাঙ্ক্ষার ওপর।
৪. মানসিক চাপ
মানসিক চাপ দৈনন্দিন সব কাজের ওপর প্রভাব ফেলে। একই ভাবে তা যৌনতার ওপরও প্রভাব ফেলতে সক্ষম। কর্মক্ষেত্রে যদি মাত্রাতিরিক্ত চাপ থাকে তাহলে তা সেই ব্যক্তির ব্যক্তিগত জীবনও পর্যুদস্ত করতে পারে। একই ধারায় তা যৌনতাকে বিপর্যস্ত করতে পারে।
৫. হরমোন
দেহে উৎপাদিত হরমোন একজন মানুষের যৌন ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপর প্রভাব বিস্তার করে। টেস্টোস্টেরোন, এস্টোজেন ও প্রগেস্টেরন হরমোন যৌনতার এ ইচ্ছা-অনিচ্ছা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করে। এ হরমোনগুলোর মাত্রা মানুষকে নিরাপদ কিংবা ঝুঁকিপূর্ণ যৌনতার তাগিদ দেয়।

রাত ৯ টার পর প্রেমিক-প্রেমিকাকে একসঙ্গে দেখলেই বিয়ে!

রাত ৯ টার পর প্রেমিক-প্রেমিকাকে একসঙ্গে দেখলেই বিয়ে!

বিবাহ বহির্ভূত যৌন সম্পর্ক রুখতে রাত ৯টার পর প্রেমিক প্রেমিকাকে একসঙ্গে দেখলেই বিয়ে পড়িয়ে দেয়া হবে। ইন্দোনেশিয়ার একটি জেলায় সম্প্রতি এমন আইন পাশ হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়ার প্ররুয়াকারতা জেলার জেলা প্রশাসক এ আইন জারি করেছেন। খবর দেশটির বেসরকারি সংবাদ সংস্থা। আইনে বলা হয়েছে, ‘রাত ৯ টার পর যদি কোনো জুটিকে একসঙ্গে বাইরে দেখা যায় তবে তাদের বিয়ে পড়িয়ে দেয়া হবে।’
এছাড়াও নির্দেশে আরও বলা হয়, ‘রাত ৯টার পর কোনো অবিবাহিত তরুণ যদি কোনো বন্ধুর বাসায় গিয়ে ফিরে না আসে তবে দ্রুত তার বিয়ের ব্যবস্থা করা হবে।’
প্ররুয়াকারতার জেলা প্রশাসক দিয়াদি মালিদি এমন আইন পাশের আগে ২০০ ব্যক্তির একটি বৈঠকে এ বিষয়ে মতামত চান। সেখানে উপস্থিত সবাই বিনাপ্রশ্নে আইনটির বিষয়ে সম্মতি দেন। যে গ্রামে আইনটির বাস্তবায়ন হবে না সে গ্রাম থেকে সরকারি ভাতা বন্ধ করে দেয়া হবে বলেও বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়।

আবিষ্কৃত হয়েছে বীর্য নিয়ন্ত্রণ মেশিন

আবিষ্কৃত হয়েছে বীর্য নিয়ন্ত্রণ মেশিন

পুরুষদের জন্য বিশাল সুখবর! আবিষ্কৃত হয়েছে বীর্য নিয়ন্ত্রণ মেশিন। এ মেশিন পুরুষাঙ্গে লাগিয়ে ইচ্ছেমতো বীর্য নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। তাই শারীরিক মিলনে দুর্বল পুরুষদের আর স্ত্রী কিংবা গার্লফ্রেন্ডের কাছে লজ্জা পেতে হবে না। মেশিনটি জন্ম নিয়ন্ত্রণেও দারুণ কার্যকর।
এ মেশিন লাগানোর পর শুক্রাণু আর বাঁধনহারা উচ্ছ্বাসে বেরিয়ে যেতে পারবে না। কারণ, এ যন্ত্রের মাধ্যমে আপনার শুক্রাণুর নিয়ন্ত্রক আপনিই। ছোট যন্ত্রটি পুরুষাঙ্গে অপারেশনের মাধ্যমে স্থাপন করা যাবে। শারীরিক সম্পর্কে মিলিত হওয়ার আগে মেশিনটির অফ বাটন চেপে রাখলে উত্তেজনার চরম মুহুর্তেও শুক্রাণু বেরিয়ে যেতে পারবে না।
চরম পুলকিত হওয়ার পর নির্গত শুক্রাণু স্বাস্থ্যসম্মতভাবে শরীরেই মিশে যাবে। এতে শারীরের কোনো ক্ষতি হবে না বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
আশ্চর্যের বিষয়- এটি কোনো চিকিৎসকের মাথা থেকে বের হয়নি। জার্মানির ক্লেমেন্স বিমেক নামে এক ব্যক্তি টিভিতে কনট্রাসেপ্টিভ নিয়ে একটি শো দেখার সময় হঠাৎ  মেশিনের কথা ভাবেন। শারীরিক সম্পর্কের আগে এটি অফ করে রাখলে বীর্যপাত আটকে দেবে। পুনরায় অন করলে স্বাভাবিকভাবেই কাজ করবে অণ্ডকোষ।
ক্লেমেন্স বলেন, `আমি অনেক ডাক্তারের কাছে মেশিনটির ব্যাপারে কথা বলতে গিয়েছিলাম। প্রায় সকলেই এক কথায় উড়িয়ে দিয়েছিলেন। মাত্র হাতে গোনা কয়েকজন চিকিৎসক আমার মেশিনটির ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তারা নিজেদের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা দিয়ে আমায় সাহায্যও করেন। তারপর আমি পুরোপুরি এটি বানাতে সক্ষম হই।`
আপাতত ক্লেমেন্স নিজের শরীরেই মেশিনটি বসিয়ে রেখেছেন। তবে এটি নিয়ে এখনো পরীক্ষা চলছে।
অনেকে জানতে চান, যদি বীর্যপাত না হয়, তবে সেটি কোথায় যাবে? চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, তা শরীরেই শোষিত হয়ে যাবে। যেমনটি হয় ভ্যাসেকটমি করানোর পর।
 
যদি সত্যিই মেশিনটি ক্রেতাদের হাতে আসে, তবে চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিপ্লব ঘটে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এর বিরুদ্ধে মতও রয়েছে। প্রফেশনাল অ্যাসোসিয়েশন অফ জার্মান ইউরোলজিস্ট-এর মুখপাত্র উল্ফগ্যাং বুহমান বলেন, `আমার মতে মেশিনটি যথেষ্ট সমস্যা তৈরি করতে পারে। দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে মেশিন অন থাকা অবস্থায়ও আর বীর্যপাত নাও হতে পারে।
মেশিনটির আকার ৭*১১*১৮ মিলিমিটার।গত এক বছর ধরে ২৫ জন পুরুষের ওপর পরীক্ষা করা হয়েছে মেশিনটি। কিন্তু আরো কিছু পরীক্ষা করে- তবেই বাজারে ছাড়তে চাইছেন বিমেক। বিমেক জানান, মেশিনটি বাজারে আসবে ২০১৮ নাগাদ।

Friday, May 20, 2016

প্রতারণার ফাদে ফেলে নগ্ন ছবি ও ভিডিও করায় দুই মেয়ে গ্রেফতার

প্রতারণার ফাদে ফেলে নগ্ন ছবি ও ভিডিও করায় দুই মেয়ে গ্রেফতার
এবার ছেলেদের টেক্কা দিল মধুপুর, ধনবাড়ীর ২ মেয়ে। প্রতারনা করে ধনাঢ্য পরিবারের এক ছেলেকে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক এক মেয়ের সাথে নগ্ন ছবি ধারন করে কাগজে স্বাক্ষর রেখে মানহানির ভয় দেখিয়ে ৩ লাখ টাকা চাদা দাবি করে ছেড়ে দেয়।
পরে ছেলে থানায় মামলা করলে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। ঘটনায় জানা যায়- মধুপুর উত্তরা আবাসিক এলাকার ইসহাকের মেয়ে রেহেনা (৩৫) ও তাছলিমা(পূজা) পিতা আফাজ উদ্দিন,ধনবাড়ী।, দুজনে মিলে ধনাঢ্য পরিবার উত্তরা আবাসিক এলাকার অমিত রায় চৌধুরী (২৮) কে ফুসলিয়ে প্রলোভন দিয়ে একটি বাসায় নিয়ে সেখানে অপেক্ষমান ৪ ছেলে বন্ধুকে নিয়ে মারপিট করে জোরপূর্বক উলঙ্গ পুজার সাথে নগ্ন ছবি ভিডিওসহ ধারন করে এবং কাগজে স্বাক্ষর রেখে মানহানির ভয় দেখিয়ে ৩ লাখ টাকা চাদা দেয়ার প্রতিশ্রুতি রেখে ছেড়ে দেয়।  Show downloads
ছাড়া পেয়ে অমিত আজ থানায় মামলা করলে এস আই মোঃ ফকরুল ইসলাম নিজ নিজ বাসা হতে তাদের গ্রেফতার করে। তাদের নামে নগ্ন ছবি তোলা, ধারন ও চাঁদাবাজির মামলা দায়ের হয়েছে। নং- ১০, তাং- ১৮.০৫.২০১৬।

‘এই নারী ফেসবুকে থাকলে জলদি ডিলিট করুন’


এই নারী আপনার ফেসবুকে থাকলে জলদি ডিলিট করুন’-এক নারীর ছবিসহ এমনই একটি সংবাদ পরিবেশন করছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো। জি নিউজের খবর অনুযায়ী এই নারীর ছবিসংবলিত ফেসবুক অ্যাকাউন্টগুলো সবই স্প্যাম অ্যাকাউন্ট। আর এই অ্যাকাউন্ট ফেসবুকে থাকলে আপনার অ্যাকাউন্টটিও নিরাপদ নয়।
এই খবরটি ভারতের খ্যাতনামা বিভিন্ন অনলাইনসহ সংবাদমাধ্যমে প্রচারের পর খবরটি এখন ভাইরাল। খবর অনুযায়ী, মধু শাহ নামে একই নামে একই ছবিতে একইনারীর৩৪টি অ্যাকাউন্টের সন্ধান পাওয়া গেছে। যার অধিকাংশেরই বন্ধুসংখ্যা পাঁচ হাজারের বেশি।
জি নিউজের খবর অনুযায়ী, সম্প্রতি এই অ্যাকাউন্টটি থেকে বিভিন্ন স্প্যাম মেসেজ লাখো অ্যাকাউন্টে ছড়িয়ে পড়ে। তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা জানান, ‘ভিডিও এবং মেসেজেরস্প্যাম মেইলগুলো ছড়ানো হয়েছিল এই মধু শাহ নামের অ্যাকাউন্টগুলো থেকেই।

আর প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ওই স্প্যাম মেইলগুলোই বিভিন্নভাবে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাকের বিষয়ে দায়ী ছিল। আর তাই এই অ্যাকাউন্টগুলো বর্জনের পরামর্শ দিয়েছেন প্রযুক্তিবিশেষজ্ঞরা।